প্রচ্ছদ

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে খান বেল

প্রকাশিত হয়েছে : ১:৩১:৪০,অপরাহ্ন ২৮ মে ২০১৮ / সংবাদটি পড়েছেন ১৪৬ জন

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম

গ্রীষ্মকালীন ফলের মধ্যে বেল উল্লেখযোগ্য। এটি ছোট-বড় সব বয়সী মানুষের কাছেই অতি পরিচিত। বেলের ১০০ গ্রাম শাঁসে পুষ্টি উপাদান হলো খাদ্যশক্তি ১৪০ কিলোক্যালরি, পানি ৭৭.৫ গ্রাম, আমিষ ২.৬০ গ্রাম, শর্করা ৩১.৮ গ্রাম, স্নেহ ০.৩৯ গ্রাম, ভিটামিন-এ ৫৫ মিলিগ্রাম, খনিজ পদার্থ ১.৭ গ্রাম, আঁশ ২.৯ গ্রাম, চর্বি ০.২ গ্রাম, থায়ামিন (ভিটামিন বি-১) ০.১৩ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লাভিন (ভিটামিন বি-২) ১.১৯ মিলিগ্রাম, এসকরবিক এসিড বা ভিটামিন সি- ৬০ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন (ভিটামিন বি-৬) ১.১ মিলিগ্রাম টারটারিক এসিড ২.১১ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩৮ মিলিগ্রাম, লৌহ ১.১ মিলিগ্রাম।

বেলে প্রচুর পমিাণ ভিটামিন সি থাকে, যা স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। এটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট, যা আমাদের দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সর্দি-কাশি ও ছোঁয়াচে রোগ থেকে বাঁচিয়ে রাখে। ভিটামিন এ আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে। ডায়রিয়া ও আমাশয় রোগ সারিয়ে তোলে। অন্ত্রের কৃমিসহ নানা রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে।

নিয়মিত বেল খেলে এর ল্যাকোটিভগুন কোষ্টকাঠিন্য দূর করে ও মুখের ব্রণ দূর হয় এবং ত্বক ভালো থাকে। বেল পাকস্থলীর আলসারসহ নানা সমস্যা দূর করে। বেলের উপাদান মিউকাস মেমব্রেনের গঠনে সহায়তা করে এবং চামড়ার সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে।

বেলের ভিটামিন বি১ ও বি২ হৃৎপিণ্ড এবং লিভার ভালো রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত বেল খেলে স্তন ক্যান্সার, ইউটেরাম ও কোলন ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। বেল প্রজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ফলে নারীদের বন্ধ্যত্বের হার দূর করে।

বেলের পুষ্টি উপাদান চোখের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলোর পুষ্টি জোগায়। ফলে চোখকে যাবতীয় রোগ থেকে রক্ষা করে। বেলের শাঁস ত্বককে সূর্যরশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে এবং ত্বকের স্বাভাবিক রঙ বজায় রাখে।