প্রচ্ছদ

ঈদের সাজে বিপণিবিতান

প্রকাশিত হয়েছে : ১১:০২:২০,অপরাহ্ন ২৮ মে ২০১৮ | সংবাদটি ২১১ বার পঠিত

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম

রমজানের প্রথম দশকের শেষদিন ছিলো গতকাল। এখনো জমে ওঠেনি ঈদের বেচাকেনা। বিক্রেতাদের প্রত্যাশা সময় গড়ানোর সাথে সাথে ক্রেতা-দর্শনার্থীর আনাগোনায় জমে উঠবে ঈদ কেনাকাটা। রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোতে দু-একজন ক্রেতা দেখা গেলেও ঈদের আমেজ এখনো আসেনি। তবে ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর বিপণিগুলোতে সাজ সাজ রব। নতুন পোশাকই বলে দেয় ঈদের আগমনী বার্তা। বিক্রেতারা বলছেন, এখনো ঈদের বেচাকেনা শুরু হয়নি। তবে আমরা প্রথম রমজান থেকেই ঈদের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। এখন যত পণ্য রয়েছে সবই ঈদ কালেকশন। গতকাল রোববার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, মহাখালী, মৌচাক, মালিবাগ, রামপুরা, শাহবাগ ও গুলিস্তানের বিভিন্ন বিপণিবিতানগুলো ঘুরে ক্রেতা বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। বিপণিবিতানগুলোতে যে ক্রেতাদের উপস্থিতি দেখা গেছে তার বেশিরভাগ এখনো কিনছেন না। বেশিরভাগই ঘুরে ঘুরে দেখছেন। যারা কিনছেন তারা অনেকেই শেষের ভিড়ের ভয়ে এখনই কিনে নিচ্ছেন বলে জানা গেছে। ক্রেতারা জানান, রোজার শেষদিকে প্রচুর ভিড় থাকে। তাতে কেনাকাটা করতে অনেক ঝামেলা হয় বলে এখন কিনতে আসছি। সরেজমিন দেখা গেছে, ঈদ বাজারে বিপণিগুলোতে তাঁত, কাতান, তসর ও জামদানিসহ নানা রকমের শাড়ির দেখা মিলছে। বাহারি রং আর ব্লক প্রিন্ট, বাটিক, কাথা স্টিচ, কুচি প্রিন্ট, গুজরাটি নকশার সমন্বয়ে ফুটে উঠেছে প্রতিটি শাড়ির জমিন। বৈচিত্র্য আনতে আঁচল ও পাড়ে বসানো হয়েছে পাথর কিংবা সুতার বাড়তি কারুকাজ। এছাড়াও শর্টসিøভ ও সিøভলেস সালোয়ার-কামিজ এবং ফুল সিøভের লং কামিজ। এসব পোশাকে হাতের কাজের পাশাপাশি চুমকি, স্টোন, সুতো, হালকা ব্লক, ওভার অল কাজ, গলায় এবং হাতায় কাজ, ওড়নায় কাজ, কলকিতে কাজ, ওড়নায় অল ওভার কাজ, ব্লক ওড়না, হাতায় কুচি, পাইপিনের কাজ, অ্যাপলিক, এমব্রয়ডারি, পুঁতির কাজ ইত্যাদি থাকছে। কাটিংয়ের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন সহজেই চোখে পড়ে। গোল গলা, ভি-গলা এবং সেরোয়ানি গলার কামিজ লাল, কালো, কমলা, হলুদ, জাম, গোলাপি, সবুজ, অরেঞ্জ রেড, গোল্ডেন, অরেঞ্জ পিঙ্ক, বাদামি, পিঙ্ক রঙের সালোয়ার-কামিজ ও ফতুয়াসহ নানান পণ্যসামগ্রীতে সেজেছে বিপণিগুলো। শাড়ি কিনতে আসা মোশায়েদা আক্তার আমার সংবাদকে বলেন, শাড়িতে বাঙালি নারীর সৌন্দর্য বেড়ে যায় বহুগুণ। তাই যেকোনো উৎসবে পছন্দের পোশাকের তালিকায় প্রথমেই শাড়িকে প্রাধান্য দেয়া। এবারো এর ব্যতিক্রম নয়। তিনি বলেন, শেষেরদিকে অনেক ভিড় হয়, কালেকশনও শেষ হয়ে যায়। তাই একটু আগেভাগেই এসেছি।তবে জামদানি শাড়ির পুরনো ডিজাইনে বিরক্ত আরেক নারী বলেন, জামদানি শাড়ির ডিজাইনগুলো এখনো পুরান রয়ে গেছে। এখন একটু পরিবর্তন হওয়া দরকার। সেই পুরনো ডিজাইনগুলোতে তেমন আর আগ্রহ থাকে না। বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে ঘুরতে দেখা গেল মাহফুজুর রহমান নামের এক তরুণকে। কথা হলো তার সাথে। তিনি বলেন, এখনই কিনছি না, দেখতে এসেছি। ঘুরে ঘুরে পছন্দের পোশাকগুলো দেখছি। আরও পরে কিনবো। এখন এসেছি পছন্দ করে রেখে যাবো। রমজানের শেষদিকে পছন্দের পণ্যটি কিনবো বলে তিনি জানান। মৌচাকের ফরচুন মার্কেটের কাপড় বিক্রেতা আফজাল হোসেন আমার সংবাদকে বলেন, ক্রেতা নেই তাই বেচাকেনাও নেই। তবে এবার বেচাকেনা আশা করছি বাড়বে। তবে এখন ১০ রোজা চলছে তাই ক্রেতাদের আনাগোনা এখনো বাড়েনি। যারা আসছে তার বেশিরভাগই দেখে দেখে চলে যাচ্ছে, কিনছে কম।বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের বিক্রেতরা বলছেন, এবছর কাতান শাড়ির চাহিদা বেশি। সাধ্যের মধ্যে রয়েছে দামও। মানুষ যাতে কিনতে পারে সেভাবেই দাম ধরে কাতান শাড়ি তৈরি করা হয়েছে এবার। রোজার মাসে সবসময় ব্যবসা ভালো হয়। এবারও হবে আশা করি। সপ্তাহখানেকের মধ্যে ঈদ কেনাকাটা জমে উঠবে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা।

দেশ-বিদেশের পাঠক

আর্কাইভ

অক্টোবর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« সেপ্টেম্বর    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১