প্রচ্ছদ

হবিগঞ্জে বজ্রপাতে ১ মাসে ২৪ জনের প্রাণহানি

প্রকাশিত হয়েছে : ১:২৬:২৩,অপরাহ্ন ১০ মে ২০১৮ | সংবাদটি ১২০ বার পঠিত

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম
?????????????????????????????????????????????????????????

চলতি বোরো মৌসুমে গত এক মাসে হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ২৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে ২২ জন কৃষিশ্রমিক, একজন নারী ও এক শিশু রয়েছে। পুরুষ কৃষিশ্রমিকরা হাওরে বোরো ধান কাটতে গিয়ে এবং এক নারী বাড়ির উঠানে ধান মাড়াইয়ের সময় বজ্রপাতের শিকার হন। জেলায় সবচেয়ে বেশি বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে বানিয়াচং উপজেলায়। শুধু এ উপজেলায়ই ১২ জন নিহত হয়েছেন।

প্রায় প্রতিদিন বজ্রপাতে মৃত্যুর ঘটনায় কৃষক ও শ্রমিকদের মাঝে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। অনেক স্থানেই ধানকাটা শ্রমিকের সংকট দেখা দিচ্ছে। এতে চলতি মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হলেও ফসল ঘরে তোলা নিয়ে কৃষকদের মাঝে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে।

বজ্রপাতে বানিয়াচং উপজেলায় নিহতরা হলেন- জাতুকর্ণপাড়া মহল্লার শামছুল হক (৩৮), মাটিকাটা গ্রামের রুবেল মিয়া (১৮), পৈলারকান্দি গ্রামের আমির আলী (৩৫), হিয়ালা গ্রামের মঈন উদ্দিন খাঁ (১১), দৌলতপুর গ্রামের অধীর বৈষ্ণব (২৭), বসু বৈষ্ণব (৩২), মুরাদপুর গ্রামের বাসিন্দা জোবায়ের মিয়া (৩২), ভল্লবপুর গ্রামের শাহীন মিয়া (২৫), বাশিয়াপাড়া গ্রামের মো. আজিম উদ্দিন (৪০) ও মুরারআব্দা গ্রামের রনধীর চন্দ্র দাশ (৪৫) মর্দনপুর গ্রামের জোবাইল মিয়া (২৫) দত্তকান্তি গ্রামের জয়নাল মিয়া (৬০) কামরুল ইসলাম (২২)।

মাধবপুর উপজেলার পিয়াইম গ্রামের রামকুমার সরকারের ছেলে জহরলাল সরকার (২৩)।

লাখাই উপজেলায় নিহত হয়েছেন- সুজন গ্রামের আপন মিয়া (৩০) ও রুহুল মিয়া (৬০) তেঘরিয়া গ্রামের ছুফি মিয়া (৩৫) ।

বাহুবল উপজেলায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- সুয়াইয়া গ্রামের রাজু মিয়া (৩০), উত্তর ভবানীপুর গ্রামের মো. আবুল কালাম (৩৫)।

নবীগঞ্জ উপজেলার রোকনপুর গ্রামের আব্দুল জব্বার (৫৫) করগাঁও ইউনিয়নের বৈলাকীপুর গ্রামের হরি পালের ছেলে নরায়ন পাল (৩৫), বড় বাকৈর ইউনিয়নের আমড়াখাই গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে আবু তালিব (২০)

ও চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ ইউনিয়নের জোয়ালভাঙ্গা গ্রামের সুজন মুন্ডা (২৭), তাউসী গ্রামের গৃহবধূ হেনা বেগম বজ্রপাতে মারা গেছেন। হেনা বেগম তাউসী গ্রামের কাতার প্রবাসী সোহেল মিয়ার স্ত্রী। ঘটনার সময় তিনি বাড়ির উঠানে ধান মাড়াইয়ের কাজ করছিলেন। চা-শ্রমিক সুজন মুন্ডা নবীগঞ্জের হাওরে ধান কাটতে গিয়ে মঙ্গলবার বজ্রপাতে নিহত হন।

জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর জানায়, গত ৪ এপ্রিল থেকে ৮ মে পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ২৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশ কৃষিশ্রমিক। চলতি বোরো মৌসুমে হাওরে ধান কাটারত অবস্থায় এসব শ্রমিক মারা যান। নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে সরকারি সাহায্য দেয়া হয়েছে।

এদিকে বজ্রপাতে ঘন ঘন কৃষিশ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় হাওরে কৃষিশ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। অনেক শ্রমিক ঝড়বৃষ্টি দেখলে হাওরে ধান কাটতে যেতে চান না। ফলে ধান কাটা শ্রমিকের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে বোরো ফসল কাটা ব্যাহত হচ্ছে।

Media it

দেশ-বিদেশের পাঠক

আর্কাইভ

সেপ্টেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« আগষ্ট    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০