প্রচ্ছদ

মালিকবিহীন ডিএসইর ১৭৫ কোটি টাকা

প্রকাশিত হয়েছে : ১:০০:৫৯,অপরাহ্ন ১৮ এপ্রিল ২০১৮ | সংবাদটি ৯২ বার পঠিত

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর চার প্রতিষ্ঠানের মালিক নেই। অন্যদিকে কার্যক্রম নেই এমন প্রতিষ্ঠান রয়েছে আরও ৫টি। এ চার প্রতিষ্ঠানের মালিক আদৌ আসবে কিনা, সে নিয়ে সন্দিহান সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে কী হবে, সে বিষয়ে ডিএসইর ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন স্কিমে খোলাভাবে কিছু নেই। যা আছে সেটি নিয়ে রয়েছে মতভেদ। তবে ডিএসই কর্তৃপক্ষ বলছে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথক করার (ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট, ২০১৩)-এর স্কিমের ৩ এর ১ এর ৪ এ বলা আছে এমন চারটি প্রতিষ্ঠান হলো আ. আহাদ, মোহাম্মদ হোসাইন, আহসানুর রহমান এবং মো. ইদ্রিস সিকিউরিটিজ। ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথক করার পর ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদ ১০ শতাংশ করে ৩ বারে ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে শেয়ার হোল্ডারদের। ৩০ শতাংশ লভ্যাংশে ৪ প্রতিষ্ঠানের টাকা দাঁড়ায় ৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। সরকারকে ২০ শতাংশ কর দেওয়ার পর এর নিট টাকা হলো ৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এই টাকাগুলো আইন অনুযায়ী একটি ব্লক হিসেবে রাখা আছে। আইনানুযায়ী ৫ বছরের মধ্যে মালিক আসলে তাদের বুঝিয়ে দেওয়ার কথা। না আসলে সেটি বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার জন্য রাখার কথা। অন্যদিকে বর্তমান বাজার দরে বিক্রি করলে ১৬৮ কোটি টাকার মতো পাওয়া যেতে পারে। তবে আইন অনুযায়ী এটি বিক্রি না করে নতুন ট্রেক ইস্যু করতে পারবে ডিএসই।কার্যক্রম নেই এমন ৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২টি নিয়ে নিজেদের মধ্যে চলছে মামলা। এই দুটি হলো ডন সিকিউরিটিজ ও শামীম সিকিউরিটিজ। সমস্যার সমাধান হলে কার্যক্রমে আসতে পারে প্রতিষ্ঠান দুটি। তবে বাকি তিনটি আগামী ৬ মাসের মধ্যে কার্যক্রমে আসতে পারে। এই তিনটি হলো আসিফ আহমেদ, জামিলুর রহমান ও আব্দুল হাই।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে কথা বলতে রাজি হননি আসিফ আহমেদ অ্যান্ড কোং-এর মালিক এবং আব্দুল হাই-এর মালিকরা। মালিকবিহীন চারটি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ডিএসইর সাবেক সভাপতি শাকিল রিজভী আমার সংবাদকে বলেন, আইনে যা বলা আছে আইনের পর পাঁচ বছর পর্যন্ত লভ্যাংশ একটি ব্লক হিসেবে রাখতে হবে। এর ভিতর মালিক না আসলে সেটি ইনভেস্টর প্রটেক্টশন ফান্ডে চলে যাবে। তবে এটি নিয়ে একটি মতভেদ আছে। বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ সবদিক বিবেচনা করে একটি সিদ্ধান্ত নেবে বলে মনে করেন তিনি। যোগাযোগ করা হলে বর্তমান পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন আমার সংবাদকে বলেন, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই মতপ্রকাশ করেন ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএএম মাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথক করার (ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট, ২০১৩)-এর অনুসরণ করে একটি স্কিম করা হয়েছে। স্কিম অনুযায়ী সমাধান করা হবে। ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট, ২০১৩-এর থেকে পাঁচ বছর পর থেকে নতুন ট্রেক দেওয়া যাবে।



দেশ-বিদেশের পাঠক

আর্কাইভ

মে ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১