প্রচ্ছদ

নকশী কাঁথার মাঠ

প্রকাশিত হয়েছে : ১:১০:১০,অপরাহ্ন ০৮ এপ্রিল ২০১৮ | সংবাদটি ৭০ বার পঠিত

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম

নৃত্যগুরু রাহিজা খানম ঝুনুর নির্দেশনায় প্রথম গীতি নৃত্যনাট্য ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ গল্পের কেন্দ্রীয় দুই চরিত্র সাজু ও রুপাইয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেন সাদিয়া ইসলাম মৌ ও আব্দুর রশিদ স্বপন। এর আগে সাজু চরিত্রে রাহিজা খানম ঝুনুই অভিনয় করতেন। বিভিন্ন সময়ে এই চরিত্রে আরো অভিনয় করেন জিনাত বরকত উল্যাহ ও শামীম আরা নিপা। ১৯৯১ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত এই নৃত্যনাট্যের তিনশ’রও অধিক মঞ্চায়নে অভিনয় করেছেন স্বপন ও মৌ। শুধু দেশেই নয়, ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে, জাপান, কোরিয়াতেও এই নৃত্যনাট্যের মঞ্চায়ন হয়েছে। স্বপনের ভাষ্যমতে, বিটিভিতে বিভিন্ন সময়ে এই নৃত্যনাট্যের খ- খ- অংশে মৌ ও তিনি অভিনয় করেছেন। তবে এবারই প্রথম পুরো নৃত্যনাট্যটি নিয়ে আগামী পয়লা বৈশাখে বিটিভির দর্শকের সামনে উপস্থিত হতে যাচ্ছেন তারা। বিটিভির মহাপরিচালক হারুন রশীদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং মাহবুবা ফেরদৌসের প্রযোজনায় ‘নকশী কাঁথার মাঠ’-এর শুটিং শেষ হয়েছে গত বৃহস্পতিবার বিটিভির ড্রামা স্টুডিওতে। এতে পারফর্ম করা প্রসঙ্গে সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, ‘দিন যতোই যাচ্ছে ততোই আমি সাজুকে আরো বেশি বুঝতে পারি, আমার মধ্যে তাকে আমি আরো বেশি ধারণ করতে পারি। চরিত্রের অনেক গভীরে প্রবেশ করতে পারি। যখন আমি ছোট ছিলাম, তখন বারবার আমার মনে হতো শেষ দৃশ্যে যেন সত্যিই আমার কান্না আসে। এই কান্নার জন্যই আমি প্রার্থনা করতাম। আর এখন সুইটা হাতে নিলেই দু’চোখ দিয়ে অনবরত আমার পানি চলে আসে। সাজু চরিত্রটির প্রতি অনেক ভালোবাসা, আবেগ থেকেই এটা হয় এখন। হয়তো সামনে আরো ভালো করতে পারবো।’ ‘নকশী কাঁথার মাঠ’-এর কাহিনী পল্লীকবি জসীমউদ্্দীন। মূল পরিকল্পনা ও ভাবনা জি এ মান্নান। এতে প্রধান সখি রূপে থাকবেন ফারহানা খান তান্না। সাজুর মায়ের চরিত্রে জিনাত বরকত উল্যাহ, রুপাইয়ের মায়ের চরিত্রে সেলিনা হক, লাঠিয়াল আতাউর রহমান মোহন, ঘটক চরিত্রে অভিনয় করেছেন আব্দুল মতিন। সহশিল্পী হিসেবে আছেন লাবনী, শোভিকা, প্রভা, পুষ্পিতা, নিশাত, মিমো, সুবহা, রাইসা, রানা, সুমন, উজ্জ্বল, বাদশা, সজল, শোভন, ইমরান, কাদরী এবং শিশু শিল্পী হিসেবে আছে নায়লা, মশাল, তাসনিম ও জাভেরিয়া।



দেশ-বিদেশের পাঠক

আর্কাইভ

আগষ্ট ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১