প্রচ্ছদ

দেশের অচল নৌরুট চালুর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত হয়েছে : ১২:০৭:১২,অপরাহ্ন ২৬ জানুয়ারি ২০১৮ | সংবাদটি ১৮৮ বার পঠিত

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম

দেশের অচল নৌরুটগুলো চালুর তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভূমি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ উন্নয়নে প্রস্তাবিত পাইলট প্রকল্পের রূপরেখা উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ তাগিদ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নদীপথগুলো সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের নদীগুলোর প্রবাহ নিশ্চিতে ক্যাপিটাল ড্রেজিং (গভীর নদী খনন) ও মেনটেইন্যান্স ড্রেজিং দু’টোই করতে হবে।

নদী ড্রেজিংয়ের সময় দুই পাশে পর্যাপ্ত জায়গা রাখার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘এতে নদী অতিরিক্ত পানি ধারণ করতে পারবে এবং যখন পানি থাকবে না তখন সেখানে কৃষকরা চাষবাষ করতে পারবে। শেখ হাসিনা বলেন, ড্রেজিং এর সঙ্গে সঙ্গে দেখা যাচ্ছে মাটিগুলো যেখানে সেখানে ফেলা হচ্ছে। কিন্তু মাটিগুলো নিদিষ্ট স্থানে প্ল্যান করে ফেললে স্থানটি ব্যবহার করা যায়। তিনি বলেন, দেশের নৌরুটগুলো যত চালু ও কার্যকর করতে পারবো, তত সস্তায় পণ্য সরবরাহ করা যাবে।

নদ-নদী রক্ষা, ব্যবস্থাপনা ও যথাযথ সংরক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, নদী খনন ও নদীতীর সংলগ্ন ভূমি পুনরুদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। নদীর নাব্যতা বাড়াতে খননের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, নদীর গভীরতা বাড়িয়ে এবং প্রশস্ততা কমিয়ে ভূমি পুনরুদ্ধার করে সেখানে ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠির জন্য নতুন বসতি ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে। পুনরুদ্ধারকৃত জমিতে পরিকল্পিত শিল্প কারখানা স্থাপন এবং নগরায়নের লক্ষ্যে বিনিয়োগ করলে তা সঠিকভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

‘যমুনা-পদ্মা নদীর তীর স্থিতকরণ এবং ভূমি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ উন্নয়নে প্রস্তাবিত পাইলট প্রকল্পে’ বিভিন্নস্থানে ২২০ কিলোমিটার তীর সংরক্ষণ কথা বলা হয়েছে। এছাড়া নদী খননসহ বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং নদীপথ সংরক্ষণের মাধ্যমে গড়ে ১৬ কিলোমিটার প্রশস্ততাকে ৭ থেকে ৮ কিলোমিটারে নামিয়ে এনে প্রায় ১৬০০ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার ও ৩৫০ কিলোমিটার নৌপথ সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিভিন্ন কারণে পানির প্রবাহ কমে যাওয়া, নদীতে পলি জমে নাব্য হ্রাস পাওয়া এবং নদী ভাঙ্গনের ফলে সৃষ্ট সমস্যার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সব সমস্যার ফলে নদীর স্রোত এবং ধারণক্ষমতা কমে যায়।

তিনি বলেন, নদী পাড় সংলগ্ন চরের মাটি কেটে সেখানে দ্রুত বর্ধনশীল গাছ লাগিয়ে নদী ভাঙ্গন রোধ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা সময় আমাদের বাজেট দিতে অন্য দেশের ওপর নির্ভর করতে হতো। এখন সেই অবস্থা নেই। বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে, এগিয়ে যাবে। পানি সম্পদমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।



দেশ-বিদেশের পাঠক

আর্কাইভ

আগষ্ট ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুলাই    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১