প্রচ্ছদ

শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে শিশু-বৃদ্ধরা

প্রকাশিত হয়েছে : ১১:৪৩:০২,অপরাহ্ন ১১ জানুয়ারি ২০১৮ / সংবাদটি পড়েছেন ২৮৮ জন

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম

ইউসুফ আহমদ ইমন: হঠাৎ প্রচন্ড শীত। পৌষের মাঝামাঝি এসে তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষ শীতবস্ত্রের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

মৌলভীবাজার জেলায় বয়ে যাচ্ছে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। প্রচন্ড ঠান্ডায় কাঁপছে শিশু ও বৃদ্ধরা। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ইতোমধ্যে শীতজনিত কারণে দেখা দিয়েছে নানা রোগব্যাধি। গত কয়েক দিন ধওে জেলা সহ সারাদেশে শীতের তীব্রতা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর তাপমাত্রা কমে যায় এবং বাতাসের প্রবাহ বেড়ে যায়। এতে ব্যাপক শীত অনুভূত হচ্ছে। তীব্র শীতের কারণে বিশেষ করে স্বল্প আয়ের মানুষ ফুটপাতে বসবাসকারী লোকজন, শিশু ও বৃদ্ধরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। শীতের কারণে শিশু ও বয়স্কদের শ্বাসকষ্টসহ নানা ধরনের রোগব্যাধি বেড়ে যাচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। শীতের পাশাপাশি মৌলভীবাজার জেলা ও সারাদেশে ঘনকুয়াশার মাত্রাও বেড়েছে। বিশেষ করে ও সন্ধ্যা হলেই কুয়াশার মাত্রা বেড়ে যায়। এ কারণে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। বাস-ট্রাকও দিনে আলো থাকারও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে। একই কারণে সময়সূচি মেনে ট্রেন চলাচল করতে পারছে না। ফলে ট্রেনের সময়সূচিও ভেঙে পড়ছে। শুক্রবারের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, তাপমাত্রা রাতে কমার আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দেশের সর্বনি¤œ তাপমাত্রা থাকবে ৬-৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২৪-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সকাল থেকেই কুয়াশার শিশির পড়ছে জেলার বিভিন্ন স্থানে। শুক্রবারও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত আছে। আরো দু’একদিন নয়, বেশ কয়েকদিন এমন পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে বলে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন। তীব্র শীতে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে দেখা দিচ্ছে নানা ধরনের রোগ-ব্যাধি। সর্দি-কাশি, জ্বর, হাঁপানি, ডায়রিয়া ইত্যাদি রোগ নিয়ে আসছেন হাসপাতালে। প্রাইভেট চিকিৎসকদের কাছেও আসছে একই ধরনের রোগে।

কুলাউড়া উপজেলা হাসপাতালের শিশু চিকিৎসক ডা. আবু বকর রাশু বৃদ্ধদের প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন গরম পানি পান করতে। গোসলও করা উচিত গরম পানি দিয়ে। শিশুদের বেলায়ও একই ব্যবস্থা। পানি পানে গরম পানিকে অগ্রাধিকার দিলে কাশি অথবা বুকে কফ জমবে না। পাতলা লিকার দিয়ে রঙচা পান করা যেতে পারে ঘন ঘন। বেশি সর্দি-কাশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেতে হবে। অবহেলা করলে রোগের প্রকোপ বাড়তে পারে। শিশুদের বেলায় নিউমোনিয়া হয়ে যেতে পারে।

কুলাউড়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক প্রতিবেদক কে বলেন, গত কয়েক দিনে রোগীর সংখ্যা কয়েক গুন বেড়ে গেছে। শীতে নিউমোনিয়া, হাঁপানি, অ্যাজমা, ব্রঙ্কিওলাইটিস (শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহজনিত সংক্রমণ বা এআরআই), ডায়রিয়া, আমাশয়, চোখের প্রদাহ, জন্ডিস ও জ্বরসহ বিভিন্ন রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে প্রতিদিন নতুন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে।

দেশ-বিদেশের পাঠক

আর্কাইভ

ডিসেম্বর ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« নভেম্বর    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১