প্রচ্ছদ

সম্প্রীতি ও সমৃৃদ্ধির প্রত্যাশা

প্রকাশিত হয়েছে : ১০:২১:৪০,অপরাহ্ন ০১ জানুয়ারি ২০১৮ | সংবাদটি ১১২ বার পঠিত

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম

মহাকালের অতল গর্ভে হারিয়ে গেলো নানান প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির সাক্ষী হয়ে থাকা আরও একটি বছর ২০১৭ সাল। আজ পূর্বাকাশে উঁকি দিয়েছে নতুন বছরের প্রথম সূর্য। সার্বিক সফলতার প্রত্যাশা নিয়ে শুরু হলো ইংরেজি বর্ষ ২০১৮। বিগত বছরের নানা ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে নতুন স্বপ্নে জীবন সাজানোর প্রত্যাশায় বুক বেঁধেছে বাঙালি জাতি। উন্নয়নের সিড়িতে দেশকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে উম্মুখ দেশের প্রতিটি নাগরিক। নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা- কেটে যাক রাজনীতির গুমোট, আরও সচল হোক অর্থনীতির চাকা। বৃদ্ধি পাক গণতন্ত্রের চর্চা, বন্ধ হোক সাম্প্রদায়িক নির্যাতন ও জঙ্গি তৎপরতা। সুস্থ রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিম-লে সমৃদ্ধ হোক মাতৃভূমি বাংলাদেশ। চেতনায় জাগ্রত আবহমান সেই মাঙ্গলিক বোধ অতীতের জীর্ণতার হিসেব থাক বিস্মৃতির কালগর্ভে- সকলেই প্রত্যাশায় বুক বাঁধি নতুন দিনের সূর্যালোকে। উদ্ভাসন হোক সজীব-সবুজ নতুনতর সেই দিনের, যা মুছে দেবে অপ্রাপ্তির বেদনা, জাগাবে নতুন প্রত্যয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাবার প্রেরণা। মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবে যার উদ্ভাসন সেই স্বাধীন রাষ্ট্রে এটাইতো দেশবাসীর স্বাভাবিক প্রত্যাশা। প্রত্যাশা-প্রাপ্তির যোগ-বিয়োগ কষতে গিয়ে সব সময় যে মন আলোকিত হবে তা কিন্তু নয়, তবু যা কিছু পেয়েছি সেটাকেই বড় করে দেখতে হবে। সেখানটাতেই জীবনের গতি, সমাজের অগ্রসরতার চাকা ঘূর্ণায়মান। তাই যা পাইনি, তার হিসেব বাদ দিয়ে, নতুন বছরের কাছে যা প্রত্যাশা করছি সেই স্বপ্নটাই যেন সত্যি হয়ে উঠে আমাদের জীবনে। আজ যোগাযোগ মাধ্যমের অভূতপূর্ব উন্নয়নের ফলে সারা বিশ্ব এখন এক বিশাল অভিন্ন বন্ধনে আবদ্ধ। বিভিন্ন দেশ ও জাতির সংস্কৃতির একটি মিথস্ক্রিয়ার প্রক্রিয়া ক্রমান্বয়েই প্রবল হয়ে উঠছে। খ্রিস্টীয় বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ উপলক্ষে ৩১ ডিসেম্বর ঘড়ির কাঁটা ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববাসীসহ বাংলাদেশের মানুষ খ্রিস্টীয় নববর্ষ উদযাপন শুরু করে। এ উপলক্ষে আতশবাজি, কনসার্ট, ডিজে পার্টিসহ বিভিন্ন ধরনের আনন্দ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। উল্লাস করার রেওয়াজ আমাদের দেশেও চালু হয়ে গেছে অনেক বছর ধরে। অনেক সময় এ উল্লাসের মাত্রা ছাড়িয়েও যায়। তাই আইন-শৃক্সক্ষলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকে রাজধানীসহ সারাদেশ- যা প্রতিবছরের মতো এবারও নেয়া হয় সকল প্রস্তুতি। নতুন বছরে প্রিয়জনদের শুভেচ্ছা জানিয়ে সু-দৃশ্য কার্ড পাঠানোর সংস্কৃতি বহু দিনের। কিন্তু মোবাইলফোনের প্রচলন সুবিস্তৃত হওয়ায় দোকানে গিয়ে কার্ড কেনা, ডাকঘরে গিয়ে তা পোস্ট করা, এ সকল প্রক্রিয়া এই ব্যতিব্যস্ততার যুগে অনেকের কাছেই ঝামেলাপূর্ণ মনে হয়। এর চেয়ে সহজ উপায় মোবাইলফোনের বোতাম টিপে প্রিয়জনদের নববর্ষের খুদে বার্তা পাঠানো। ২০১৮ সালের নতুন বছরে দেশবাসীর বুকজুড়ে প্রত্যাশা:- জঙ্গিবাদ নির্মূল, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের সমাধান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও মূল্যস্ফীতি হ্রাসসহ অর্থনৈতিক দূরাবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর অফুরন্ত শক্তি। নতুন বছরের সূর্যের আলো এসব প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক হোক, জ্বলে উঠুক শুভবোধের আলো, মঙ্গল ও কল্যাণের আলো। ইংরেজি নববর্ষের প্রত্যাশা, নতুন বছরে যেন কাউকে দেখতে না হয় নেতিবাচক অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা। কারো যেন মৃত্যু না হয় কোনো অপ্রত্যাশিত ভাবে। নতুন বছরে দেশের ১৬ কোটি মানুষ যেন গাইতে পারে সুখ-শান্তি-সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের জয় গান।



দেশ-বিদেশের পাঠক

আর্কাইভ

মে ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১