প্রচ্ছদ

ভৈরব-তিতাস সেতু ও রেল সার্ভিস উদ্বোধন করলেন হাসিনা-মোদি

প্রকাশিত হয়েছে : ২:১২:১৬,অপরাহ্ন ০৯ নভেম্বর ২০১৭ | সংবাদটি ১২৯ বার পঠিত

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় ভৈরব ও তিতাস রেল সেতু, খুলনা-কলকাতা রেল সার্ভিস ও মৈত্রী এক্সপ্রেসের ননস্টপ সার্ভিস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সংযুক্ত ছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার পর গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী যুক্ত হন।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন শেষে দুই দেশের নেতৃবৃন্দ বলেন, এ প্রকল্পগুলো দুই দেশের সম্পর্কোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটাবে।

বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বন্ধন শুধু দুই দেশের রেলের নয়, দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধন সৃষ্টি করে সার্বিক উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাওয়াই আমাদের লক্ষ্য। এতে দুই দেশের জনগণই লাভবান হবে।

ভবিষ্যতেও দুই দেশ এক হয়ে উন্নয়নের পথে হাঁটবে বলেও শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। অন্যদিকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সফরের আমন্ত্রণ জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ অর্থায়নে নির্মিত ভৈরব রেল সেতুটি চালু হওয়ায় পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জের ভৈরবের মেঘনা নদীর ওপর রেল সেতু নির্মাণের জন্য ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর একনেকের বৈঠকে একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এর পর ২০১৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর চুক্তিবদ্ধ হয় ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইরকন-এফকন। একই বছরের ২৫ ডিসেম্বর শুরু হয় প্রকল্পের কাজ।

৯৮৪ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৭ মিটার প্রস্থের এ সেতুর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৫৬৭ কোটি ১৬ লাখ টাকা। ৩ বছরমেয়াদি এ প্রকল্পের নির্মাণকাজ ৪ বছরের মাথায় শেষ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি।

সেতুর ১২টি পিলারের মধ্যে ৮টি মেঘনা নদীতে পড়েছে। ভৈরব ও আশুগঞ্জ সীমানায় রয়েছে আরও ৪টি পিলার। ইতোমধ্যে সেতুতে স্লিপার, রেললাইন নির্মাণ ও পাথর বসিয়ে পরীক্ষামূলক ট্রেন চালানো হয়েছে।

সেতুটি চালু হওয়ার আগে মেঘনা নদীর ওপর একটি সেতু থাকায় ভৈরব অথবা পার্শ্ববর্তী তালশহর স্টেশনে ট্রেন দাঁড় করিয়ে ক্রসিং দিতে হতো।

দ্বিতীয় ভৈরব রেলওয়ে সেতুটি চালু হওয়াতে পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হল। সেতুটি চালু হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথে যাত্রার সময় অনেকটা কমে আসবে বলেও জানান তিনি।

অন্যদিকে ১৬ নভেম্বর থেকে যাত্রী নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ চলাচল শুরু হবে। খুলনা-কলকাতা রুটে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হতে যাওয়ায় দুই দেশের যাত্রীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।



দেশ-বিদেশের পাঠক

আর্কাইভ

নভেম্বর ২০১৭
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« অক্টোবর    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০