প্রচ্ছদ

‘বিশ্ব সুন্দরী’ হওয়ার জন্য বাংলাদেশের জেসিয়া ইসলামের মিশন

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম

‘বিশ্ব সুন্দরী’ হওয়ার জন্য বাংলাদেশের জেসিয়া ইসলামের মিশন শুরু হয়েছে। শুরুতেই প্রতিযোগিতার অন্যতম ইভেন্ট ‘ড্যান্সেস অব দ্য ওয়ার্ল্ড’-এর অডিশন। গতকাল সোমবার তাতে অংশ নেন তিনি। জানা গেছে, ২০ অক্টোবর চীনে পৌঁছার পর এই ইভেন্টের মহড়ায় অংশ নেন। এখানে ‘৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সব প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছেন। সবাই রঙিন, ঝলমলে আর নানা ধরনের পোশাক পরেন। এখানে সবাই নিজেদের মধ্যে পরিচয়পর্ব সেরে নেন। হইহুল্লোড়, আড্ডা আর আলোকচিত্রীদের সামনে পোজ দিয়ে সময় কাটছে সবার। মূল প্রতিযোগিতার আগে অডিশন আর মহড়ার পাশাপাশি অন্য সুন্দরীদের সঙ্গে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখবেন জেসিয়া।

আগেই জানানো হয়েছে, মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় ‘ড্যান্সেস অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ইভেন্টে প্রতিযোগীরা পোশাক আর নাচের মাধ্যমে নিজেদের সংস্কৃতি তুলে ধরেন। এই আয়োজনে পাহাড়িদের তৈরি পোশাক থামি পরছেন জেসিয়া।

এদিকে মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে অন্য প্রতিযোগীর সঙ্গে রয়েছে জেসিয়ার ছবি। রয়েছে তাঁর কিছু তথ্য। এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে জেসিয়া শিক্ষার্থী, বয়স ১৮ বছর, উচ্চতা ১৭২ সেন্টিমিটার। বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজিতে দক্ষ। লক্ষ্য, ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়া। পছন্দ, ক্রিকেট ও বাস্কেট বল। আগ্রহ আছে নাচ আর র‍্যাম্প মডেলিংয়ে। শখ, ঘুরে বেড়ানো, ছবি দেখা ও গান শোনা। দ্য স্ক্রিপ্ট ব্যান্ডের ‘হল অব ফেম’ আর জর্জ মাইকেলের ‘কেয়ারলেস হুইসপার’ তাঁর পছন্দের গান। তাঁর উদ্দেশ্য অভিভাবকদের শিক্ষিত করা।

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ জেসিয়া ইসলাম গত শুক্রবার সকালে চীনের গোয়াংজু পৌঁছেছেন। সেখানে মিস ওয়ার্ল্ডের প্রতিনিধিরা জেসিয়াকে স্বাগত জানান। বিমানবন্দর থেকে জেসিয়াকে নিয়ে যাওয়া হয় ব্ল্যাক ফরেস্ট হোটেলে। ৬৭তম মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় ১১৭টি দেশের প্রতিযোগীর সঙ্গে অংশ নিচ্ছেন তিনি। আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত তিনি এ হোটেলেই অবস্থান করবেন।

হোটেলে পৌঁছার পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন জেসিয়া। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১১৭টি দেশের প্রতিযোগীদের নিয়ে সকালেই ব্ল্যাক ফরেস্ট হোটেলে শুরু হয় গ্রুমিং সেশন। বিভিন্ন ইভেন্টের ফাঁকে গ্রুমিং সেশন চলবে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত। এর পরের সেগমেন্ট হবে ৫ থেকে ১৬ নভেম্বর। ১৭ নভেম্বর প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া দেশগুলো থেকে আসা বিভিন্ন পণ্যের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এই নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থ মিস ওয়ার্ল্ড ফাউন্ডেশন চ্যারিটেবল ফান্ডে দেওয়া হবে।