প্রচ্ছদ

১৪বার জ্ঞান হারিয়েছেন আলিয়া ভাট

প্রকাশিত হয়েছে : ১১:২৭:৩২,অপরাহ্ন ২৩ অক্টোবর ২০১৭ | সংবাদটি ২৫০ বার পঠিত

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড ডটকম

বলিউড সিনেমা ‘স্টুডেন্ট অব দি ইয়ার’। করন জোহর পরিচালিত এ সিনেমার মাধ্যমেই আলিয়া ভাট, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও বরুণ ধাওয়ানের রুপালি জগতে অভিষেক।

২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি সম্প্রতি মুক্তির পাঁচ বছর পূর্ণ করেছে। এ সিনেমার অজানা কিছু তথ্য নিয়ে এ প্রতিবেদন।

১. সিনেমাটিতে গুলশান গ্রোভারের ছেলে সঞ্জয় গ্রোভারকে নিতে চেয়েছিলেন করন। কিন্তু সিনেমার জন্য সে সময় প্রস্তুত না থাকায় রাজি হয়নি সে। শোনা যায়, জ্যাকি শ্রফের মেয়ে কৃষ্ণা শ্রফকেও সিনেমাটির জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু সেও করনকে ফিরিয়ে দেন।

২. স্টুডেন্ট অব দি ইয়ার সিনেমায় অভিনয়ের আগে ২০১০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মাই নেম ইজ খান’ সিনেমায় করনের সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন সিদ্ধার্থ মালহোত্রা ও বরুণ ধাওয়ান।

৩. আলিয়া ভাটকে চূড়ান্ত করার আগে ৪৩২জন মেয়ের অডিশন নিয়েছেন করন জোহর।

৪. অডিশনের সময় সোনম কাপুর ও ইমরান খানের ‘আই হেট লাভ স্টোরি’ সিনেমার ‘বাহারা’ গানে নেচেছিলেন আলিয়া।

৫. সিনেমাটিতে ডিম্পি নামের একজনের চরিত্রে অভিনয় করেন মনোজৎ সিং। তার আগে তিনটি সিনেমায় অভিনয় করেন এ অভিনেতা। বরুণের সঙ্গে সিনেমার সেটে বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়েছিল তার। মনোজৎ সিং জানান, বরুণ তার শুটিং শেষ করে তাকে জিজ্ঞেস করতেন, তার শট ঠিক ছিল কিনা? এর কারণ জিজ্ঞেস করলে বরুণ বলতেন, ‘তিনটি সিনেমায় অভিনয় করেছ, তুমি আমাকে নির্দেশনা দিতে পারবে।’

৬. শুটিংয়ের সময় অত্যাধিক পরিশ্রম ও ঠান্ডার কারণে আলিয়া কমপক্ষে ১৪বার জ্ঞান হারিয়েছিলেন।

৭. এ সিনেমার গান ‘ইশকওয়ালা লাভ’ টপচার্টে শীর্ষে ছিল। এর সঙ্গে মিল রেখে ২০১৪ সালে একই নামে একটি মারাঠি সিনেমা নির্মিত হয়।

৯. স্টুডেন্ট অব দি ইয়ার আলিয়ার প্রথম সিনেমা নয়। ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘সংঘর্ষ’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে প্রথম অভিনয় করেন এ অভিনেত্রী। প্রীতি জিনতার ছোটবেলার চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি।

১০. স্টুডেন্ট অব দি ইয়ার সিনেমার জন্য আলিয়াকে ওজন কমাতে বলেছিলেন করন। এজন্য তিনি নির্দেশনাও দিয়েছিলেন। এ অভিনেত্রীকে বাড়তি ওজন কমাতে তিনমাস সময় দিয়েছিলেন এ নির্মাতা।



দেশ-বিদেশের পাঠক

আর্কাইভ

জুলাই ২০১৮
সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
« জুন    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১