অনুশোচনায় পুড়ছেন ব্র্যাড পিট - Sylhetnewsworld.com
প্রচ্ছদ

অনুশোচনায় পুড়ছেন ব্র্যাড পিট

www.sylhetnewsworld.com

‘অ্যাড অ্যাস্ট্রা’ ছবির প্রযোজক আর ছবিটিতে অভিনয় করেছেন ব্র্যাড পিট। সায়েন্স ফিকশন অ্যাডভেঞ্চার ধাঁচের এই ছবি মুক্তি পেয়েছে ২০ সেপ্টেম্বর। একটি ব্রিটিশ সেলিব্রিটি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই হলিউড তারকা কথা বলেছেন ছবিটি নিয়ে। ই–টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সেই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেছেন তাঁর আর অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সম্পর্ক, সন্তান আর বিচ্ছেদ নিয়ে।

 

‘অ্যাড অ্যাস্ট্রা’ ছবিতে ব্র্যাড পিট একজন মহাকাশচারী। এক মিশনে গিয়ে খুঁজে পান তাঁর বাবাকে। এই চরিত্রের সঙ্গে তাঁর সাবেক স্ত্রী অস্কারজয়ী হলিউড তারকা অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে বিচ্ছেদের কোনো সম্পর্ক আছে? জবাবে ব্র্যাড পিট বলেন, ‘সেটা তো থাকবেই। সচেতন বা অবচেতনভাবে। স্ক্রিপ্টে লেখা থাকলেও, না থাকলেও। বিচ্ছেদ মানুষের চোখ খুলে দেয়। জীবনে এর প্রভাব ব্যাপক আর বিস্তৃত। এ ঘটনা নিজেকে নতুন করে ভাবতে এবং চিনতে সাহায্য করে। নিজের ভুলগুলো খুঁজে বের করার জন্য আমি পুরোটা বিশ্লেষণ করেছি। যাতে ভবিষ্যতে নিজেকে শুধরে নিতে পারি। এভাবেই আত্মবিশ্লেষণের মাধ্যমে যে কেউ আগের চেয়ে নির্ভুল হতে পারে।’

 

২০১৪ সালে বিয়ের পর ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আলাদা হন এই দম্পতি। অবশ্য কাগজে–কলমে আলাদা হতে সময় লেগেছে আরও তিন বছর। দুজন যখন থেকে আলাদা থাকতে শুরু করেন, তখন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি জানান, মদ খেয়ে তাঁর সঙ্গে, এমনকি সন্তানদের সঙ্গেও খুব বাজে আচরণ করতেন পিট। এবার ব্র্যাড পিট জানিয়েছেন, তিনি মদ্যপান ছেড়ে দিয়েছেন। আর এর জন্য ধন্যবাদ আর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ‘অ্যালকোহলিক অ্যানোনাইমাস’ গ্রুপকে।

 

অ্যালকোহল ছেড়ে কেমন আছেন? ওই সাক্ষাৎকারে পিট বলেছেন, ‘আমার জীবনের যত অন্ধকার, সেগুলোকে পেছনে ফেলে সামনে এগোতে চাই।’

 

২০০৫ সালে ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ ছবির শুটিংয়ে মন দেওয়া-নেওয়ার কাজটা সারেন ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। তারপর ছয় সন্তান নিয়ে (এর মধ্যে তিনজনকে দত্তক নেওয়া) এক ছাদের নিচে বাসা বেঁধেছিলেন তাঁরা। ২০১৪ সালে সন্তানদের অনুরোধে বিয়ের কাজটা সারেন। কিন্তু দুই বছর যেতে না–যেতেই বিচ্ছেদের আবেদন করেন জোলি। আর ব্র্যাড পিট তখন সেই আবেদনকে বলেছিলেন, ‘খুবই আকাঙ্ক্ষিত।’ বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তিন বছর লেগেছে।

 

এখন সবকিছু চুকেবুকে যাওয়ার পর মনে হচ্ছে, পুরোনো দিনের সুখস্মৃতি হানা দিচ্ছে ব্র্যাড পিটের নিঃসঙ্গ মনের কোণে। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা এই তারকা একা হয়ে গেছেন। হয়তো এ কারণেই তাঁর কণ্ঠে ঝরে পড়েছে অনুশোচনার সুর।